অষ্টম জাতীয় পে-স্কেল অবিলম্বে বাস্তবায়নসহ বেসরকারি শিক্ষক কর্মচারীদের চাকরী জাতীয়করণে পদক্ষেপ নিতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে দাবী জানিয়েছে শিক্ষক সমাজ।
শনিবার ঢাকার মিরপুরস্থ আলহাজ্ব মধু বেপারী উচ্চ বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি (নজরুল) ও শিক্ষক কর্মচারী সংগ্রামী ঐক্য জোটের জাতীয় নির্বাহী কমিটির এক জরুরী সভায় এ দাবী করা হয়।
সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সংগ্রামী জোটের প্রধান সমন্বয়নকারী মোঃ নজরুল ইসলাম রনির সভাপতিত্বে অনুষ্টিত সভায় শিক্ষক নেতৃবৃন্দ বলেন, দেশে বর্তমানে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয় করনের হাওয়া বইছে। শিক্ষা অধিদপ্তরে বিভিন্ন অঞ্চল থেকে বিভিন্ন মডেল স্কুলসহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে জাতীয় করন করার লক্ষ্যে তথ্য গ্রহন করা হচ্ছে। এটি বর্তমান সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ ও উল্লেখযোগ্য অধ্যায়। ২৬ হাজার বেসরকারি এমপিও ভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে জাতীয় করণের আওতায় নিলে সরকারের তেমন আর্থিক ক্ষতি হবে না বলে সভায় জানান শিক্ষক নেতৃবৃন্দ। আর এতে শিক্ষকদের বেতন বৈষম্য কমবে এবং শিক্ষার মান উন্নয়নও ত্বরান্বিত হবে।
বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির যুগ্ম মহাসচিব মোঃ রফিকুল ইসলাম বলেন- বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধান মন্ত্রী শিক্ষকদের প্রতি খুবই আন্তরিক বলে তাদেরকে জাতীয় পে-স্কেলে অন্তর্ভুক্ত রেখেছেন এবং তাদের চাকরি জাতীয়করনও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতেই হবে।
সভায় শিক্ষক নেতৃবৃন্দ আরো বলেন- নতুন ঘোষিত জাতীয় পে-স্কেল কার্যকর হওয়ার পূর্বেই বাজারে দ্রব্য মূল্যের উর্ধগতি আর এতে সামান্য বেতন ভূক্ত শিক্ষক কর্মচারিগন চরম মানবেতর জীবন যাপন করছেন। তাই দ্রুত নতুন জাতীয় পে-স্কেল বাস্তবায়ন সহ বেসরকারি শিক্ষক কর্মচারিদের সারা জীবনে প্রাপ্ত ১টি মাত্র টাইম স্কেল বহাল রাখা সহ নতুন ঘোষিত নববর্ষ ভাতা বেসরকারি শিক্ষক কর্মচারিদেরকে প্রদান করার জন্য প্রধান মন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন শিক্ষক নেতৃবৃন্দ।
সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির সিনিয়র সহ-সভাপতি মীর আব্দুল মালেক, সাংগঠনিক সচিব মোঃ হোসনি মোবারক, অর্থ সচিব মোঃ আবুল বাশার বাদশা, কলেজ শিক্ষক সমিতির সভাপতি মঞ্জুরুল আমিন শেখর ও মহাসচিব মোঃ বদরুজ্জামান বাদল, বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির প্রেসিডিয়াম সদস্য মোঃ মিজানুর রহমান, মহিলা বিষয়ক সচিব তাহ্মিনা সুলতানা সাথী ও প্রেসিডিয়াম সদস্য মোঃ মহসিন উদ্দিন প্রমুখ।
পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, এটুআই, বিসিসি, ডিওআইসিটি ও বেসিস