চলতি অর্থবছরে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল কলেজ ও ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের ওপর আরোপিত সাড়ে সাত শতাংশ মূসক প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। সোমবার বেলা তিনটা ২০ মিনিটে অর্থ মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ তথ্য কর্মকর্তা শাহেদুর রহমান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়।
এতে বলা হয়, সরকার আশা করে, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রী এবং শিক্ষকবর্গ তাঁদের আন্দোলন বন্ধ করে শিক্ষাঙ্গনে ফিরে যাবেন এবং দেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় কোনো ধরনের বাধা সৃষ্টির সুযোগ দেবেন না।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয় বাজেট পাসের সময় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় এই মূসকের হার সাড়ে শতাংশ করা হয়। বাজেট পাস হয় জুন মাসে। প্রায় তিন মাস পর এই মূসক নিয়ে কতিপয় ছাত্রছাত্রী আন্দোলনে নেমেছেন। আমাদের দেশে বর্তমানে শিক্ষার প্রতি আগ্রহ প্রতি ঘরে ঘরে। এবং অনেকেই অতি নির্দিষ্ট সামর্থ্যের মধ্যে ছেলেমেয়ের শিক্ষার জন্য প্রচুর অর্থ ব্যয় করে থাকেন। ব্যক্তি মালিকানাধীন খাতের প্রতিষ্ঠানের শিক্ষা ব্যয়বহুল। শিক্ষা খাত প্রধানমন্ত্রীর কাছে সবচেয়ে অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত খাত। তাঁর বিশ্বাস যে জাতিকে শিক্ষা দিলেই দেশের উন্নয়নের পথে অগ্রযাত্রা দ্রুতগতি লাভ করে। যারা বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনেক খরচ করে শিক্ষা গ্রহণ করছেন তাঁরা অতিরিক্ত সাড়ে ৭ শতাংশ মূসক দিতে চান না। এ জন্য তাঁরা ক্লাস ছেড়ে দিয়েছেন। বিভিন্ন জায়গায় সমাবেশ করে জনজীবন বিঘ্নিত করছেন এবং উন্নয়নের যাত্রার পথে বাধার সৃষ্টি করে দিচ্ছেন।
এই পরিস্থিতির কথা তুলে ধরে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সরকার কোনোভাবেই শিক্ষাঙ্গনে কোনো ধরনের প্রতিবন্ধকতা এবং জনজীবনে অসুবিধারও সৃষ্টি করতে চায় না। সেই দৃষ্টিকোণ থেকে এ মূসক প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, এটুআই, বিসিসি, ডিওআইসিটি ও বেসিস